
স্কটল্যান্ড অপেক্ষায় ছিল ২৮ বছর, আর হাইতির পাক্কা ৫ দশক! বিশ্বকাপে নিজেদের ফেরার মঞ্চটা রাঙাতে মরিয়া ছিল দুই দলই। তবে বস্টন স্টেডিয়ামে পার্থক্য গড়ে দিলেন স্কটল্যান্ডের অধিনায়ক জন ম্যাকগিন। তার একমাত্র গোলেই হাইতিকে হারিয়ে ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্কটিশরা। ১৯৯০-এর পর বিশ্বকাপে এটাই স্কটল্যান্ডের প্রথম জয়।
প্রথমার্ধের ‘হাইড্রেশন ব্রেক’ যেন ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ১৯৭৪ সালের পর প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে আসা হাইতি শুরু থেকেই ছিল দারুণ আক্রমণাত্মক। প্রথম ২৫ মিনিটে তারা স্কটল্যান্ডের রক্ষণে বারবার ভীতি ছড়ায়। ৫-৬ জন খেলোয়াড় নিয়ে একের পর এক আক্রমণ করলেও ভালো ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল পায়নি লেস গ্রেনাডিয়ার্সরা।
পানি পানের বিরতির পর স্কটিশ কোচ স্টিভ ক্লার্কের দল যেন নতুন রূপে মাঠে ফেরে। আর এর মাত্র দুই মিনিট পরই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায় তারা। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে চে অ্যাডামস বল নিয়ে বক্সে ঢুকে বেন ডোকের সাথে দারুণ বোঝাপড়ায় শট নেন। হাইতির গোলরক্ষক জনি প্লাসিড প্রথম শটটি আটকে দিলেও, রিবাউন্ড থেকে পাওয়া বলটি সহজেই জালে জড়িয়ে স্কটল্যান্ডকে লিড এনে দেন জন ম্যাকগিন।
পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি হাইতি। উইং দিয়ে বারবার আক্রমণ শানায় তারা। তবে স্কটিশ গোলরক্ষক অ্যাঙ্গাস গানকে বড় কোনো পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি। ৮৪ মিনিটে ফ্র্যান্টজডি পিয়েরটের একটি দুর্দান্ত হেড পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে গেলে সমতায় ফেরার সেরা সুযোগটি হারায় হাইতি। এছাড়া ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে যোগ করা সময়ে স্কটল্যান্ডের কেনি ম্যাকলিন একটি ফাউল করে লাল কার্ড থেকে বেঁচে গেলে কিছুটা হতাশই হতে হয় হাইতিকে।
শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্কটল্যান্ড। গ্রুপ পর্বে নিজেদের পরের দুই ম্যাচে শক্তিশালী ব্রাজিল ও মরক্কোর মুখোমুখি হওয়ার আগে এই ৩ পয়েন্ট স্কটিশদের দারুণ আত্মবিশ্বাস জোগাবে।

