
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন। দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারো সোনালী ট্রফিটার মালিক স্পেন। ২০১০ বিশ্বকাপে যেভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল স্পেন, এবারো সেভাবেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হলো তারা।
মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত সময় গোল দিয়ে। আজকের নায়ক ফেরান তোরেসের মতোই জোহানসবার্গের ফাইনালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে গোল করেছিলেন আন্দ্রেয়েস ইনিয়েস্তা। আজ সেই দলের সতীর্থদের সঙ্গে নিয়ে গ্যালারি বসে তোরেসের গোলটি দেখলেন স্পেন কিংবদন্তি।
ম্যাচের ১০৬ মিনিটে নিকো উইলিয়ামসের অ্যাসিস্টে ডি বক্স থেকে দুরন্ত শটে গোলটি করেন তোরেস। তাতে ১-০ ব্যবধানের জয়ে দ্বিতীয়বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বাদ পায় স্পেন। পরে আরেকটি গোল করেছিলেন তোরেস। তবে অফসাইডের কারণে ১১৩ মিনিটের গোলটি বাতিল হয়।
বিপরীতে অতিরিক্তর যোগ করা সময়ে সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির কর্নার থেকে পাওয়া বল গোলবারের অনেক ওপর দিয়ে মারেন জুলিয়ানো সিমিওনে। পরে রেফারি শেষ বাঁশি বাজাতে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে মাতেন স্পেনের ফুটবলাররা। বিপরীতে শোকের ছায়া নেমে আসে পুরো আর্জেন্টিনা শিবিরে।
ব্যবধানটা আরও বাড়তে পারত। এমিলিয়ানো মার্তিনেজের কারণে তা হয়নি। রেকর্ড ১১ টি সেভ দিয়েছেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক। তবে আর্জেন্টিনা হেরে যাওয়ায় তার বীরত্ব কোনো কাজে আসল না দলের।
এর আগে পুরো ম্যাচে আধিপত্য দেখিয়েছে স্পেন। তার প্রমাণ পরিসংখ্যানে। ৬৫ শতাংশ বল পজিশন ধরে রাখা স্পেন সবমিলিয়ে গোলমুখে ১২ টি শট নিয়েছে। বিপরীতে একটিও শট জালে নিতে পারেনি আর্জেন্টিনা। তবে দাপট দেখালেও নির্ধারিত সময়ে গোলের দেখা পায়নি স্পেন।
কবে ম্যাচের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজ দ্বিতীয় হলুদে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ম্যাচ জয়ের দারুণ সুযোগ পায় স্পেন। অতিরিক্ত সময়ে ১০ জনের সুযোগটাই কাজে লাগালেন তোরেস।

